শিরোনাম :
স্বাধীনতার ৫০ বছরে গড়ে ওঠেনি দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে একটি উন্নতমানের হাসপাতাল বেনাপোলে ভারতীয় গাঁজাসহ গ্রেফতার ১ বেনাপোল বন্দরে আটকে আছে শত শত পণ্য বোঝাই ট্রাক, যানজটে নাকাল পাসপোর্ট যাত্রীরা জনগণকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হবার আহবান প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে কারিগরি শিক্ষকদের বেনাপোল স্থলবন্দরে সন্ধ্যার পর পচনশীল পণ্যের শুল্কায়ন বন্ধ শার্শায় চলছে স্কুলের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ : শিক্ষার্থীদের মাঝে আনন্দ যশোরের নাভারণ ক্লিনিক থেকে ২ দিনের শিশু চুরি প্রেসক্লাব অব ইন্ডিয়ায় ‘বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার’ উদ্বোধন করলেন তথ্যমন্ত্রী কোভিড-১৯ এর ২য় ডোজ গণটিকা দান কর্মসূচি শুরু

শ্রীপুরে নারী কেলেংকারিতে জনতা ব্যাংকার হাতেনাতে ধরা, ৫লাখ টাকায় রফাদফা

রিপোর্টিং,শ্রীপুর-মাগুরা,প্রতিনিধি : পেশায় ব্যাংক কর্মকর্তা হলেও নেশা তার মেয়েদের ফাঁদে ফেলে সর্বশান্ত করা। ব্যক্তিগতভাবে গোপনে বিবাহিত হলেও নারী লোলুপ ব্যাংক কর্মকর্তা সঞ্জিবন বিশ্বাস সম্প্রতি নিজেকে অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে স্থানীয় এক কলেজ ছাত্রীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরা পরেন। পরে স্থানীয় প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপে গ্রাম্য শালিসে ৫লাখ টাকা অর্থদন্ড দিয়ে রক্ষা পেয়েছেন। অভিযুক্ত মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় জনতা ব্যাংকের খামারপাড়া শাখার কর্মকর্তা সঞ্জিবন বিশ্বাস এ বিষয়ে মুখ না খুললেও তার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চেয়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ।

অভিযোগে জানা যায়,মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা সব্দালপুুর ইউনিয়নের বাখেরা গ্রামের সঞ্জিবন বিশ্বাস ইতিপূর্বে বিভিন্ন স্থানে নারী ঘটিত নানা অপরাধ ঘটিয়েছেন। গত বছর মাগুরা সদরের আঠারখাদা ইউনিয়নের একটি গ্রামের মেয়েকে বিয়ের লোভ দেখিয়ে সর্বনাশ করে পালিয়ে গিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।

দুই বছর আগে পার্শ্ববর্তী রাজবাড়ী জেলায় একই ধরনের একটি নারী কেলেংকারিতে হাতে নাতে আটক হয়ে সে মেয়েকে বিয়ে করতে বাধ্য হন তিনি। যদিও বিয়ের বিষয়টি নিজ এলাকায় গোপন রেখেছেন সঞ্জিবন। একই ধরনের অসংখ্য নারী কেলেংকারি করে কৌশলে পার পেয়ে যান বলে অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী।

কয়েকদিন আগে নিজ গ্রামের এক কলেজ ছাত্রীর শোবার ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ে সে। এ সময় এলাকাবাসি তাকে ওই মেয়েটিকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে পূর্বের বিয়ের বিষয়টি জানাজানি হয়। এ সময় স্থানীয় চেয়ারম্যান নুরুল হোসেন মোল্যাসহ গ্রাম্য মাতব্বররা শালিসের মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে বিষয়টি সুরাহা করার আশ্বাস দেন।

পরে ভূক্তভোগী ওই মেয়ের নামে ব্যাংকের মাধ্যমে ৫লাখ টাকা দেয়ার শর্তে সে ছাড়া পায়। যার তথ্য প্রমাণ সাংবাদিকদের সরবরাহ করেছেন স্থানীয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি। একই সঙ্গে তারা টাকার বিনিময়ে বারবার পার পেয়ে যাওয়া ওই ব্যাংক কর্মকর্তার বিচার চেয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুকদেব রায় জানান, ওই ব্যাংক কর্মকর্তার অবৈধ সম্পর্কের বিষয়টি আমরা শুনেছি। স্থানীয়ভাবে বিষয়টির মিমাংসা হয়েছে বলে জেনেছি। এ ব্যাপারে কোন অর্থনৈতিক লেনদেন হয়েছে কিনা আমরা জানি না। কেউ অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সব্দালপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল হোসেন মোল্যা জানান-অভিযুক্ত ব্যাংক কর্মকর্তার পক্ষ থেকে মেয়ের নামে ব্যাংকের মাধ্যমে ৫লাখ টাকা জমা দেয়া হয়েছে। মেয়েটির ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই স্থানীয় নেতৃবৃন্দ শালিসের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত জনতা ব্যাংক কর্মকর্তা সঞ্জিবন বিশ্বাসকে সরাসরি ও ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন বক্তব্য দিতে রাজী হননি। তার কর্মস্থলের কোন উর্ধ্বতন কর্মকর্তাও এ বিষয়ে কোন বক্তব্য দিতে রাজী হননি।

চ্যানেল বাংলা লাইভ টিভি

শিঘ্রই আসছে নতুন রুপে নিয়োগপত্র

A House of M.R.Multi-Media Ltd
Design & Development By ThemesBazar.Com