মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ০৭:১৫ অপরাহ্ন

বিজ্ঞাপন :
** জরুরী ভিত্তিতে জমি বিক্রয় হইবে । ** জরুরী ভিত্তিতে জমি বিক্রয় হইবে । ** জরুরী ভিত্তিতে জমি বিক্রয় হইবে । ** জাতীয় দৈনিক বর্তমান খবরে সংবাদ কর্মী/প্রতিনিধি আবশ্যক । যোগাযোগ : 01714925606 , ইমেইল : bartomankhobor@gmail.com ওয়েব : www.bartomankhobor.com.

ডা. সাবরিনার একাধিক জন্মতারিখ নিয়ে বিপাকে পুলিশ

রির্পোটিং প্রতিবেদন :
বহুল আলোচিত করোনা টেস্ট জালিয়াতির ঘটনায় কারাবন্দি চিকিৎসক সাবরিনা শারমিনের একাধিক জন্ম তারিখ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ।

জেকেজি (জোবেদা খাতুন সর্বজনীন হেলথকেয়ার) কেলেঙ্কারি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে তার জন্ম তারিখে গরমিল পাওয়া যায়।

নতুন এ রহস্যের খোঁজে সংশ্লিষ্টরা তৎপর। প্রকৃত জন্ম তারিখ জানতে ডিবির পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চিঠি দেয়া হয়েছে। চিঠি পেয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এদিকে পুলিশ বলছে, সরকারি কর্মকর্তা হওয়ায় মামলার নথিতে তার সঠিক জন্ম তারিখ উল্লেখ করা প্রয়োজন। অন্যথায় পরে আইনগত জটিলতা সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

জানা যায়, সরকারি চাকরিতে যোগদানের আগে মেডিকেল রিপোর্টে ডা. সাবরিনা শারমিনের জন্ম তারিখ লেখা হয় ২ ডিসেম্বর ১৯৭৬। কিন্তু রহস্যজনক কারণে পরে অধিদপ্তরের এইচআরআইএস (কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা সিস্টেম) বায়োডাটায় জন্ম তারিখ পাল্টে দেয়া হয়। সেখানে ২ ডিসেম্বর ঠিক রেখে সাল পাল্টে লেখা হয় ১৯৮৩। দুটি জন্ম তারিখের মধ্যে ৭ বছরের পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু কী উদ্দেশে এভাবে জন্ম তারিখ পরিবর্তন করা হলো, কারা এর সঙ্গে জড়িত-এসবের বিস্তারিত উত্তর খুঁজতে গঠিত হয় তদন্ত কমিটি।

এর আগে এ বিষয়ে ২৫ নভেম্বর ডিবির গুলশান জোনাল টিমের এসআই রিপন উদ্দিন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি দেয়া হয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে। সেখানে বলা হয়, ‘আসামি ডা. সাবরিনা শারমিন হুসেন বর্তমানে জেলহাজতে আছেন।

মামলাটির সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য তার জন্ম তারিখের প্রমাণপত্র আবশ্যক। বিধায় তার এসএসসি পাশের সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি দাখিলের অনুরোধ করা হলো।’

এরপর সঠিক জন্ম তারিখ উদ্ঘাটনে তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে সাবরিনার সাবেক কর্মস্থল জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন জায়গায় চিঠি দেয়া হয়। এছাড়া সাবরিনার মেডিকেল পরীক্ষার রিপোর্ট, প্রোগ্রেস রিপোর্ট, এইচআরএআইএস, এমবিবিএস সনদ, প্রথম পদায়নের বিজ্ঞপ্তি, প্রথম যোগদানের কপি এবং ২০১৯ সালে প্রাপ্ত এসিআরের কপি পরীক্ষা করেও এ রহস্যের জট খোলেনি।

২৫ মার্চ তদন্ত কমিটির এক সভায় সাবরিনার এসএসসি পাশ সনদের মূল কপি যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এজন্য তার প্রথম কর্মস্থল দিনাজপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে শুরু করে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ এবং তার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানায় চিঠি দেয়া হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির সভাপতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (শৃঙ্খলা) ডা. কামরুন নাহার বৃহস্পতিবার গনমাধ্যমকে বলেন, ডা. সাবরিনার এসএসসি সনদসহ একাডেমিক দলিলপত্র এমআইএস (ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম) শাখায় থাকার কথা ছিল।

কিন্তু কেন সেখানে নেই এটা বলতে পারছি না। তবে আমরা বিভিন্ন জায়গায় চিঠি লিখেছি। আশা করছি এর একটা সুরাহা করা সম্ভব হবে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সাবরিনা সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি পেয়েছেন কিনা তা বলা যাচ্ছে না। তিনি এখনও চাকরিচ্যুত হননি। তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

এদিকে সাবরিনার অবৈধ অর্থ সম্পদের খোঁজে পৃথক অনুসন্ধান চালাচ্ছে দুদক। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে লেখা দুদকের এক চিঠিতে বলা হয়, জেকেজি হেলথ কেয়ারের মাধ্যমে ১৫ হাজার ৪৬০টি করোনা টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এর মাধ্যমে প্রায় ৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়। জেকেজি কেলেঙ্কারির অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক সেলিনা আখতার মনি সাবরিনার বেতন ভাতাসহ চাকরি সংক্রান্ত সব কাগজপত্র তলব করেছেন।

অনুগ্রহ করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যানেল বাংলা লাইভ টেলিভিশন






” />

© All rights reserved © 2020  reportingbd.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com