মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন

বিজ্ঞাপন :
** জরুরী ভিত্তিতে জমি বিক্রয় হইবে । ** জরুরী ভিত্তিতে জমি বিক্রয় হইবে । ** জরুরী ভিত্তিতে জমি বিক্রয় হইবে । ** জাতীয় দৈনিক বর্তমান খবরে সংবাদ কর্মী/প্রতিনিধি আবশ্যক । যোগাযোগ : 01714925606 , ইমেইল : bartomankhobor@gmail.com ওয়েব : www.bartomankhobor.com.

এক লাফে কোটিপতি নারী এখন হাত পাতছেন অন্যের কাছে!

যুক্তরাজ্যে ২০০৩ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে জ্যাকপট জিতেছিলেন ক্যালি রোগার্স। পুরস্কার হিসেবে পান ১৮ লাখ পাউন্ডের লটারি। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ কোটি টাকা। সেখান থেকেই এক লাফে কোটিপতি তিনি। কিন্তু বর্তমানে তার হাতে কিছুই নেই। অন্যের কাছ থেকে সহায়তা নিয়ে কোনোরকম জীবন অতিবাহিত করছেন।

শুধু ক্যালি রোগার্স নন, পৃথিবীতে এমন অসংখ্য উদাহরণ আছে যারা হঠাৎ ধনী হয়েছেন আবার সব কিছু হারিয়েছেন। সৃষ্টিকর্তা কাউকে কোটিপতি বানান আবার কাউকে মুহূর্তের মধ্যে মাটিতে নামিয়ে আনতেও সময় নেন না। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে। আবার এমন অনেক গল্প রয়েছে যেখানে দেখা গেছে, নিজের দোষেই মানুষ সবকিছু হারাচ্ছেন। পশ্চিমবঙ্গের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার এ নিয়ে এক প্রতিবেদন করেছে।সেখানে হঠাৎ করেই কোটিপতি বনে যাওয়া এবং কয়েক বছরের মধ্যে সবকিছু হারিয়ে অসহায় হয়ে পরা এই নারীর গল্প বেশ চমকজাগানিয়া। কীভাবে এত অল্প সময়ের ব্যবধানে সবকিছু হারালেন তা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

জানা গেছে, জ্যাকপট জেতার পর ব্রিটেনের ক্যামব্রিয়ায় পালিত মা-বাবার সঙ্গে বসবাস করতেন এই নারী। এর কিছুদিন পরই নিকি লসন নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার পরিচয় ঘটে এবং একটি বাড়ি কিনে তারা থাকতে শুরু করেন। তখন ওই বাড়িটির দাম ছিল ১ লাখ ৮০ হাজার পাউন্ড। উভয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং তাদের কোলজুড়ে আসে দুটি সন্তান।

বৈবাহিক সম্পর্কের বয়স যখন পাঁচ তখন তাদের মাঝে বিচ্ছেদ হয়ে যায়। অবস্থা এমন দাঁড়ায় যে, একবার আত্মহত্যারও চেষ্টা করেছিলেন ক্যালি রোগার্স। মানসিকভাবেও অত্যন্ত ভেঙে পড়েন। তখন পরিস্থিতি বিবেচনায় সন্তানদের তার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে নেওয়া হয়।

পরবর্তীতে প্রায় ১৭ হাজার পাউন্ড খরচ করে স্তনের অপারেশন করান তিনি। কথিত আছে, নিজের সন্তুষ্টির জন্যই এ কাজ করেছিলেন। ক্রমান্বয়ে বিলাসিতায় গা ভাসাতে থাকেন। রাতভর পার্টি, মাদকের নেশায় বুদ হয়ে পরে থাকা, সুযোগসন্ধানী বন্ধুবান্ধব, কি ছিল না সেখানে। এত বেশি টাকা উড়ান যে সেটার পরিমাণ আড়াই লাখ পাউন্ডের মতো। এ ছাড়া জামাকাপড় পরিধান করতেন অনেক দামি। আলমারিতে তার একটা গাউন রয়েছে। যেটির দাম ৩ লাখ পাউন্ড।

কালের বিবর্তনে সেই নারী এখন বন্ধুবান্ধব, পাড়া-প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজনদের কাছে হাত পেতে চলাফেরা করেন। নিজের সম্পদ বলতে তার এখন আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।

অনুগ্রহ করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

চ্যানেল বাংলা লাইভ টেলিভিশন






” />

© All rights reserved © 2020  reportingbd.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com